টুকরো স্মৃতি -৩

http://www.bashona.com/chotilist/925-2012-01-19-11-55-40
আমি ক্লাস এইটে উঠতে বড় আপুর বিয়ে হয়ে গেল । একা একটা নতুন জীবন শুরু হল । নিজে নিজে সবকিছু করতে গিয়ে আমি অনুভব করলাম আপু আমাকে কতটা আগলে রেখেছিল, ঘর অগোছালো, চুল এলোমেলো, রাতে ঘুম হয়না । রাত জাগা পাখি হয়ে শুয়ে থাকি, ছাদে পায়চারি করি, অন্ধকারে বিড়ালের মত হেটে বেড়াই ।
একা একা ভয় পেতে পারি ভেবে আব্বু আম্মু দরজা খোলাই রাখত, শুধু পর্দা ঝুলত । এক রাতে কিচেনে পানি আনতে গিয়ে পর্দার ফাক দিয়ে আব্বুর নগ্ন দেহ নজরে এল । আমার দিকে পিছন ফিরে আছে বলে পর্দা একটু সরিয়ে ভাল করে তাকালাম । ডিম লাইটের হাল্কা আলোতেও দেখি আম্মু বিছানায় উবু হয়ে পাছা উঁচু করে শুয়ে আছে আর আব্বু ভীষণ জোরে জোরে আম্মুর পাছায় ধাক্কা দিচ্ছে । এত জোরে ধাক্কায় ব্যাথা পাওয়ার কথা অথচ আম্মু শুখে গোঙাচ্ছে, থেকে থেকে পাছাটা আব্বুর নিমাঙ্গে চেপে ধরছে । এই বয়েসও তাদের সেক্স করতে দেখে লজ্জা পেলেও অবাক হলাম না । আব্বু এমনেতেই শক্তপোক্ত মানুশ, আম্মু চল্লিশ পেরলেও যথেষ্ট সেক্সি । বড় আপু আর আমি চওড়া পাছা পেয়েছি আম্মুর কাছ থেকেই ।
ঘরে ফিরে এসে ভাবতে লাগলাম যোনির ভিতর নুনু ঢোকালে কি এমন ভাল লাগে, সবাই এটার জন্য পাগল কেন? যোনিতে আঙ্গুল দিলে একটু বুঝতে পারি তবু যেন আমার অনুভুতির বাহিরে ।
বড় আপু না থাকায় বৃষ্টি আপুর আসা বন্ধ হয়ে গেছে । ভাইয়ার ঘরে নতুন ২/৩ টা মেয়ের আসা যাওয়া দেখি । একটা মেয়ে আমার ঘরেও আসত, জবা নাম, ভাইয়ার সমবয়সী । মেয়েটা আসত সাদাসিধে ভাবে, আমার ঘরে এসে সাজগোজ করত, টুকটাক কথা বলত তারপর ভাইয়ার ঘরে ঢুকে যেত । একদিন ভাইয়া বাসায় নেই, জবা আপু আমার ঘরে বসে লিপস্টিক বাছছিল । আমি জিগ্যেস করলাম, ” আপু তোমরা কি এত গল্প কর?”
“গল্প করি না তো”, জবা আপু হাসল ।
“কি কর তাহলে”
“তার আগে বল তুমি কাউকে চুমু খেয়েছ?” জবা আপু আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে বলল ।
আমি মাথা নারলাম, ” না, তবে একজন খাওয়ার চেষ্টা করেছিল ।”
“কেমন লেগেছিল” আপু জানতে চাইল ।
“ভাল না” আমি লজ্জায় চোখ নামিয়ে নিলাম ।
জবা আপু আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে এল, “কেন?”
“জানি না” আমি মুখটা পিছনে সরিয়ে নিতে চাইলাম, জবা আপু দুই হাতের তালু দিয়ে আমার দুই কানের নিচে চেপে ধরল । ওনার রক্তলাল লিপস্টিক রাঙ্গানো ঠোট আমার ঠোটের কাছে, আরও কাছে এগিয়ে এল । আমি বুঝতে পারছিলাম না কি হতে জাচ্ছে, আবার হয়ত পারছিলামও । এত ধীরে জবা আপু আমার ঠোটে ঠোট নামিয়ে আনল মনে হল গোলাপের পাপড়ির স্পর্শ । আপু আমাকে বিছানায় শুইয়ে চুমু খেতে শুরু করল, চুমু যে খাওয়ার মত একটা জিনিস আর এত বিচিত্রভাবে সেটা করা যায় সেই প্রথম জানলাম । জবা আপু এই আমার নিচের ঠোট চুষছে তো পরক্ষনেই উপরের ঠোটে চলে জাচ্ছে, দুই ঠোটে ঠোট লাগিয়ে আমার মুখ হা করিয়ে নিচ্ছে, জিহবা ভিতরে ঢুকিয়ে আমার মুখের ভিতরে চাতছে, কখনো আমার নাকটাও মুখে পুরে ভিজিয়ে দিচ্ছে । কিছুক্ষণ চুমু খেয়ে আমাকে দম নেয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য একটু বিরতি নিয়ে আবার আমার মুখে নেমে আসছে জবা আপু । থেমে থেমে এভাবে চুমু খেয়েই চলল জবা আপু । আমার শরীরের কোন অংশে হাত না ছুঁইয়েই শুধু ঠোট দিয়ে আপু আমার সারা মুখে আদর করতে লাগল । আমার দেহ শিউরে শিউরে উঠছিল । আমি ভুতগ্রস্তের মত দুই হাতে আপুর কোমর আঁকড়ে ধরলাম । সাথে সাথে জবা আপু আমাকে ছেড়ে সোজা হয়ে বসল, আমার মাথায় হাত রেখে নরম গলায় শুধাল, “খারাপ লাগছে?”
আমি মাথা নাড়লাম ।
” ভাল লেগেছে?”
আমি মাথা উপর নিচ করলাম ।
” আমি তোমার ভাইয়ার সাথে এইসব এবং আরও অনেক কিছু করি, বিনিময়ে আমি টাকাও নেই” জবা আপুর গলায় চাপা বেদনা আমিও অনুভব করলাম । উঠে বসে জবা আপুর হাত ধরে বললাম, ” আমার সাথে আরও অনেক কিছু করলে আমি তোমাকে আমার ব্যাঙ্কে জমানো সব টাকা দিয়ে দেব ।”
জবা আপু আমার পিঠে থাপ্পড় দিয়ে দুষ্টমির হাসি হাসল , ” বোকা মেয়ে, আমি শুধু তোমাকে আদর করতে পারি, তোমার গরম ঠাণ্ডা করতে পারব না”
“বারে, আমি বুঝি গরম কিছু” আমি ঠোট ফুলিয়ে বললাম ।
“তার চেয়েও বেশি কিছু, তুমি মেয়ে তবু তোমাকে চুমু খেতে ইচ্ছে করেছে আমার, তাহলে ছেলেদের কি হবে বুঝনা !” আপু আমার গালটা টিপে দিল । আমি আয়নায় নিজেকে দেখলাম, আমার সারা মুখে জবা আপুর ঠোটের লালিমা ।

Advertisements